Header Ads

পাবজিতে শট মিস করায় পুরো পরিবারকে হত্যা করে কিশোর।

পাকিস্তানে পাবজিতে আসক্ত এক কিশোর তার মা এবং তিন ভাইবোনকে গুলি করে হত্যা করেছে, স্থানীয় পুলিশ বলছে। পুলিশ জৈন আলীকে (১৪) আসামি করে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

পাবজিতে শট মিস করায় পুরো পরিবারকে হত্যা করে কিশোর।


 কিশোর পুলিশকে জানিয়েছে, সে জনপ্রিয় অনলাইন গেম পাবজি খেলতো। খেলায় প্রভাবিত হয়ে সে তার মা ও তিন ভাইবোনকে হত্যা করে।

 

  এক সপ্তাহ আগে, লাহোরের কাহনা এলাকায় এলডিএ চকের বহুতল বাড়ির একটি কক্ষ থেকে পুলিশ কিশোরের মা নাহিদ মোবারক (৪৫), তার ভাই তৈমুর সুলতান (২০) এবং বোন মাহনূর ফাতিমা (১৫) এবং জান্নাত (১০) এর মরদেহ উদ্ধার করে।


পুলিশ জানিয়েছে, সম্ভাব্য সব উপায়ে খোঁজাখুঁজি করেও কিছু পাওয়া যায়নি। পরে পারিবারিক হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে আলীকে আটক করে পুলিশ। অভিযুক্ত আলীর বাড়িতে রক্তের চিহ্ন পৌঁছলে পুলিশ তাকে সন্দেহ করে। তার কাপড়েও রক্তের দাগ পাওয়া গেছে।


  আলি অপরাধের কথা স্বীকার করেছেন বলে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। সে পাবজিতে আসক্ত ছিল এবং তার বেশিরভাগ সময় বাড়িতে অনলাইন গেম খেলে কাটত। পড়ালেখায় মনোযোগ না দেওয়া এবং পাবজি খেলে বেশির ভাগ সময় কাটানোর জন্য ছেলেটিকে বকাঝকা করতেন নাহিদ।


  ঘটনার তদন্তকারী একজন পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই দিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাবজি খেলে ছেলেটি একটি শট মিস করে। তখন সে তার স্বাভাবিক জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। তারপর পিস্তল নিয়ে মায়ের কক্ষে চলে যায়। যেখানে মা তার অন্য সন্তানদের সাথে ঘুমাচ্ছিলেন।


  তিনি বলেন, আলী প্রথমে তার মা এবং তারপর তার দুই বোনকে গুলি করে। তার বড় ভাই কক্ষে প্রবেশ করলে আলী তাকেও গুলি করে। ঘটনাস্থলেই সবাই মারা যায়। তারপর সে তার রুমে চলে গেল। কিছুক্ষণ বিশ্রামের পর বাড়ি থেকে বের হন।


আলী তখন পিস্তলটি পাশের একটি ড্রেনে ফেলে দেন। তারপর ঘুমের ভান করে বাসায় ফিরে। তাকে বিভ্রান্তিকর আচরণের জন্য সন্দেহ করছে পুলিশ তদন্তকারীরা। কয়েকদিন পর্যবেক্ষণের পর তাকে আটক করা হয়।


No comments

Powered by Blogger.